Sala de Sinais

BDR mutiny would not happened if law was up to date | News & Current Affairs





* O link para o vídeo completo está no final desse artigo.
Saiba mais clicando em Robô IQ OPTION de AUTOMATIZAÇÃO de Lista de SINAIS
E conheça também sobre o Melhor Bot Para Opções Binárias 2022
Que tal um robo gratuito para IQ Option? Sistema Para IQ Option Grátis

BDR mutiny would not happened if law was up to date Please Subscribe:
We are covering latest news & breaking news. It is mainly based on political, economic issues and other current affairs. Sports, cricket, football, world news is also be available here.
For Live TV:

Also Find us;
Official site:
G+ NTV:
Facebook Page:
Video Page:
Entertainment Page:
Twitter Official:
Pinterest:
Slideshare:
Scribd:
NTV Official Address:
Bangladesh Address: 102, Kazi Nazrul Islam Avenue, Karwan Bazar, Dhaka-1215, Bangladesh
Europe Address: Unite 6, Bow Exchange, 5 Yeo Street, London, E3 3QP
USA Address: New York, USA
Australia Address: Sydney, Australia Please Subscribe:
We are covering latest news & breaking news. It is mainly based on political, economic issues and other current affairs. Sports, cricket, football, world news is also be available here.
For Live TV:

Also Find us;
Official site:
G+ NTV:
Facebook Page:
Video Page:
Entertainment Page:
Twitter Official:
Pinterest:
Slideshare:
Scribd:
NTV Official Address:
Bangladesh Address: 102, Kazi Nazrul Islam Avenue, Karwan Bazar, Dhaka-1215, Bangladesh
Europe Address: Unite 6, Bow Exchange, 5 Yeo Street, London, E3 3QP
USA Address: New York, USA
Australia Address: Sydney, Australia

Vídeo



22 Comments

  1. আলজাজিরার তথ্য আজিজ বড় খুনি কারণ সেনা সদস্য পরিবারে কিভাবে খুনি সদস্য থাকে এটা জনগণের ধারনা হইছে

  2. মাফিয়া আজিজ তোকে চিনি তুই ছিলি পিলখানার অফিসার মারার সব আালামত নষ্ট করার কাজে শেখ হাসিনা যাতে বেচে যায় আর তোর র‍্যাং বাড়ে কুত্তার বাচ্চারা

  3. আলজাজিরা বের করে দিয়েছে আজিজ কি জিনস!

  4. শেখ হাসিনা নিজে জড়িত এই ঘটনায়

  5. ১৯৭৭ : নির্যাতন, গণফাঁসি ও দাফনের গল্প -বাংলাদেশে স্বৈরতন্ত্রের ইতিহাস
    ৭৭-এর ২ অক্টোবর অভ্যুত্থান দমনের পর থেকেই সশস্ত্র বাহিনীর সহস্রাধিক
    সদস্যকে কোনো কিছু না জানিয়ে কর্তব্যরত অবস্থায় আটক করা হয়। এদের প্রায়
    সবাইকে পরে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে ঠাই না
    পাওয়াদের রাখা হয় সেনানিবাসের ভেতরে বিভিন্ন নির্যাতন সেলে।তাদের
    হাত-পা-চোখ বেঁধে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে দিনের পর দিন আটকে রাখা হয়েছিল।
    জিজ্ঞাসাবাদের নামে চলতো অকথ্য নির্যাতন। সম্পূর্ণ উলঙ্গ করে ছোট্ট একটি
    কক্ষে ৫০-৬০ জনকে একই সঙ্গে রাখা হতো। অপরদিকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে
    বন্দিদের ৭ অক্টোবর থেকে সামরিক ট্রাইব্যুনালে বিচারকার্য শুরু হয়।
    বন্দিদের এই বিচার চলে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত। ট্রাইব্যুনালে হাজিরা দেওয়ার
    জন্য প্রতিদিন কারাগার থেকে বাস ভর্তি করে সশস্ত্র প্রহরায় তাদের
    সেনানিবাসে নিয়ে যাওয়া এবং ফিরিয়ে আনা হতো।সামরিক আদালতের রায় প্রতিদিন
    রাত ৯টার মধ্যে বন্দি সামরিক ব্যক্তিদের জানানো হতো। যাদের ফাঁসির আদেশ
    হতো তাদের সঙ্গে সঙ্গে ‘কনডেমড সেলে’ পাঠানো হতো। রায় জানানোর রাতেই কিংবা
    পরের রাতে তাদের ফাঁসি কার্যকর করা হতো।অভিযুক্তদের রায় শোঁনানোর সঙ্গে
    সঙ্গেই আর্তচিতকার শোনা যেতো, হে আল্লাহ, তুমি সাক্ষী থেকো আমি কোনো অপরাধ
    করিনি। যে জালেম আমার ফাঁসি দিচ্ছে তারও যেন এমন মৃত্যু হয় ইত্যাদি।
    ফাঁসির পর লাশ ড্রপ করার শব্দ শুনেই পার্শ্ববর্তী সেলের বন্দিদের মাঝে
    কান্নার রোল পড়ে যেতো।‘৭৭-এর অক্টোবর-নভেম্বর মাসে কারাগারগুলোতে যখন
    সন্ধ্যা নেমে আসতো তখন প্রতিটি কক্ষ থেকে ভেসে আসতো গগনবিদারী কান্নার রোল।
    সামরিক বাহিনীর তত্ত্বাবধানে কারা কর্তৃপক্ষ এতই তড়িঘড়ি করে ফাঁসি
    দিচ্ছিল যে একই নামের একজনকে ফেলে অন্যজনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিচ্ছিল।
    পশুপাখির মতো, জোর করে টেনেহিচড়ে নিয়ে গলায় রশি বেঁধে ঝুলিয়ে দেওয়া
    হতো। প্রাণ যাওয়ার আগেই হাত-পায়ের রগ কেটে ফেলা হতো। কারাগারের ড্রেনগুলো
    সৈনিকদের রক্ত ভরপুর হয়ে যেতো।৯ অক্টোবর থেকে প্রতি রাতেই তিন বা চার
    ড্রপে (প্রতি ড্রপে দুজন করে) ফাসি দেওয়া হতো। রাত ১২টার পর থেকে ৩টা
    পর্যন্ত ফাঁসি কার্যকর হতো। প্রতি রাতে যে কজনের ফাসি হবে তার সংখ্যা
    সূত্রাপুর ও লালবাগ থানার ওসিকে জানিয়ে রাখা হতো। সূত্রাপর থানার ওসি
    কাফনের ব্যবস্থা করতেন আর লালবাগ থানার ওসির দায়িত্ব ছিল দাফনের ব্যবস্থা
    করা। রাত সাড়ে ৩টায় একটি ট্রাক কেন্দ্রীয় কারাগারের গেটে আসতো। টাকে করে
    লাশ আজিমপুর কবরস্থানে পাঠানো হতো। আগে থেকেই ঠিক করে রাখা সংখ্যা
    অনুযায়ী কয়েকজন শ্রমিক কবর খুঁড়ে রাখতো। কোনো সময় জানাজা হতো আবার কোনো
    সময় জানাজা ছাড়াই লাশ দাফন হতো। ভোর হওয়ার আগে অত্যন্ত গোপনীয়তার
    সঙ্গে সশস্ত্র প্রহরায় লাশ দাফনের কাজ শেষ করা হতো। দাফনকৃতদের মধ্যে দুজন
    হিন্দুর লাশও ছিল। অবশ্য এর আগে জেল ডাক্তার- নামকাওয়াস্তে লাশের
    ময়নাতদন্ত করতেন।প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী কোনো অসুস্থ ব্যক্তিকে সুস্থ না
    হওয়া পর্যন্ত ফাঁসি- ব্যক্তিকেও ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল।দেওয়া হয় না।
    কিন্তু এদের ক্ষেত্রে তা মানা হয়নি। অনেক অসুস্থ, অর্ধমৃত-যাদের কবর
    খোঁড়ার কাজ দেওয়া হয়েছিল, তাদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছিল, কেউ যেন এ
    খবর জানতে না পারে। কবর খোড়ার সময় শ্রমিকরাও আহাজারি করতেন, নিজেদের
    মধ্যে বলাবলি করতেন- এত লাশ আসে কোথেকে। ৯ অক্টোবর থেকে শুরু করে ৩০
    অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ফাঁসি আর আজিমপুরে দাফন চলতে
    থাকে।

  6. বিডিআর প্রধান আজিজ কথার প্রেক্ষিতে,বলা যায় কেন সেদিন সেনাবাহিনীকে হুকুম দেওয়া হলো না,যে দিন পিলখানায় হত্যাকান্ড ঘটাবে সেদিন তো হাসিনার আসার কথা ছিল, হাসিনা কিন্তু সেদিন আসেনি, উনি জানতো আজকে একটি কটনা ঘটবে, পিলখানার হত্যাকান্ডের আওয়ামী লীগের আন্দোলনের ফসল এবং খুনিদের ভাই আজিজ কে সেনাপ্রধান করার জন্য মাফিয়া হাসিনার একটা চক্রান্ত। সেই চক্রান্ত বর্তমানে বাস্তবায়ন হচ্ছে।

  7. 2001 সালের BSF হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ।

  8. 1991 সালের বিদ্রোহ তৎকালিন সরকার ১ ঘন্টার মধ্যে সমাধান করে ফেলেছিল।১ জন সাধারন মানুষকেও মরতে দেইনি তৎকালিন সরকার।আর ২০০৯ সালের সরকার ৫৭ জন সোনার ছেলেসহ ৭৪ জন মারা গেল।কি করেছিল ২০০৯ সালের আধুনিক সরকার.

  9. আমি ১টা বিপদে আছি যুদি কে পারে আমাকে সাহজো করতে পারেন তাহলে আমাকে ফোন দিবেন প্লিজ 01877314871

  10. সেক হাসিনার বিচার করবে কে

  11. আজকে বিড়িয়ারও সেনাবাহিনী মারচে ভারতীয় ও বাংলাদেশ সরকার মিলে কাল মারবে সরকাকে ভারতীরা মিলে তালি অন পসাসন

Comments are closed.